সভাপতির বানী
শিক্ষা পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ। “অন্ধকারের দরজায় কড়া নাড়া দিয়ে আমরা উজ্জ্বল ভোর আনবো।” শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো বুদ্ধি ও চিন্তাভাবনায় উন্নত একটি জাতি তৈরি করা, যেখানে সৃজনশীল বিকাশ এবং মানবিক মূল্যবোধের চর্চা থাকবে। বিশ্বব্যাপী এবং অভ্যন্তরীণভাবে যোগ্য নেতৃত্বের উত্থান এর উপর নির্ভর করে। একটি সুন্দর দেশ গড়ার জন্য যে প্রজন্মের প্রয়োজন তা কেবল শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং সহ-পাঠক্রমিক কার্যক্রমকে পাশাপাশি রেখেই অর্জন করা সম্ভব। এই দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে শহীদ লে. মুশফিক উচ্চ বিদ্যালয় ১৩ আগস্ট ২০০০ খ্রিঃ তারিখে যাত্রা শুরু করে। একটাই লক্ষ্য – পার্বত্য এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করে, উন্নত দেশ গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।
আমি বিশ্বাস করি যে পাহাড়ি সৌন্দর্যে ঘেরা চ্যালেঞ্জিং পরিবেশ এই তরুণ শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল পথে বাধা সৃষ্টি করলেও, তাদের দৃঢ় মনোবল এবং নতুন সৃজনশীল প্রচেষ্টা আমাদের সম্ভাবনা ও আগামীকে নতুন রঙে রাঙিয়ে তুলবে। প্রাণশক্তিতে ভরপুর শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার যাত্রা প্রতি বছর নতুনত্বের সন্ধানে নতুন উৎসাহে, বাধাহীন, দৃঢ় এবং চিরস্থায়ী হোক।
এই আনন্দময় মুহূর্তে, আমি সাত বীরশ্রেষ্ঠ সহ মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। আমি বীর উত্তম শহীদ লে. মুশফিককেও স্মরণ করছি, যিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তাদের শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
জ্ঞানের আলোয় আলোকিত শহীদ লে. মুশফিক উচ্চ বিদ্যালয় জাতি গঠনের এক জ্বলন্ত মশাল। এই বিদ্যালয় সর্বদা তার শিক্ষার্থীদের মনকে আলোকিত করার জন্য সচেষ্ট থাকে।
পরিশেষে, আমি এই এই বিদ্যালয়ের সাথে জড়িত সকল প্রানপ্রিয় শিক্ষার্থী, সামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং অভিভাবকমণ্ডলীকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। আমি সকলের গৌরবময় ও অর্থবহ জীবন এবং ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধি কামনা করি।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাইসুল ইসলাম, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল কমান্ডার, ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড ও রিজিয়ন কমান্ডার, গুইমারা রিজিয়ন
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাইসুল ইসলাম, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল কমান্ডার, ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড ও রিজিয়ন কমান্ডার, গুইমারা রিজিয়ন